মানুষের চাওয়া, ধর্মের চাওয়া

ধর্ম মানুষে মানুষে পার্থক্য তৈরি করে কি-না, সেই প্রসঙ্গে আসার আগে আমরা বিবেচনায় নেই না যে, মানুষরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ চায়, একা কিংবা দলবল নিয়ে একে অন্য অপেক্ষা শ্রেষ্ট হতে চায়। তাই তারা যেমন ধর্ম কর্ম তৈরি করে তেমনি ধর্মকে প্রয়োগও করে বিভেদ ও পার্থক্য গুলোর পরিচর্যা করে, একে অন্যের উপরে চাপিয়ে দিতেও সংকোচ বোধ করে না।

কিন্তু দুক্ষের বিষয় হচ্ছে চেনা জানা পরিচিত অ-ধার্মিকেরা মানুষের এই সংঘাতপূর্ণ মনোভাবকে আমলে না নিয়ে মনেকরে ধর্মই বুঝি সব পার্থক্য তৈরি করে রেখেছে। মানুষের স্বাভাব-প্রবৃত্তিকে রেখে তারা ধর্মকে আক্রমণ করে। তাতে যতজন ধর্মের ধোঁয়ায় আবদ্ধতা থেকে বেড়িয়ে আসে তার চাইতে অনেক বেশি মানুষ নিজের অজান্তেই নিজেকে শ্রেষ্ট প্রমাণ করতে গিয়ে ধর্মের খোলস দিয়ে গাঁ ঢাকে। অন্তত চারপাশের মানুষজন দেখে তাই মনে হয়। এতে পোলারিটি বৃদ্ধি পায়। সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধিপায় ধর্মান্ধতা। নিউট্রাল কোন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিই হতে পারে না। সাথে বায়াসড বিহীন স্বাভাবিক বিবেচনাবোধ নষ্ট হয়।

আমাদের মনে রাখা দরকার যে ধর্ম না থাকলে কমিউনিজম ভালো নাকি ক্যাপিটালিজম ভালো সেই নিয়েও মানুষ দলাদলি করে নিজের শ্রেষ্টত্ব প্রমাণে ধর্ম-ধর্ম বিভেদের মতোই বিবাদে জড়াবে। সোজা কথায়, কোন না কোন মতাদর্শ নিয়ে সংঘাতে জড়াবেই। সমালোচনা হতে হবে মানুষের, আচরণের, চিন্তাভাবনার, অসাড়তার, অসংগতি পূর্ণ আচরণের, শ্রেষ্ঠত্বের বড়াইয়ের।

This post is highlighting my opinion. You are encouraged to leave a comment or feedback if you have any alternate and valid argument or opinion. It will e much appreciated.

Ahmed Sanny

Leave a Reply

Close Menu